• ১২ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ০১ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

New Year

রাজ্য

নববর্ষের শুভেচ্ছায় তীব্র রাজনৈতিক বার্তা! মোদী-মমতার কথায় চমক

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছাতেও এ বার স্পষ্টভাবে ফুটে উঠল রাজনৈতিক আবহ। ভোটের মুখে শুভেচ্ছা বার্তাতেও দেখা গেল আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের সুর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সকলেই নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলার মানুষকে।প্রধানমন্ত্রী বাংলাতেই পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, এই বিশেষ দিনে সকলের জীবনে আনন্দ ও ভ্রাতৃত্ব বজায় থাকুক। তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য ও সুখ কামনা করেন এবং উল্লেখ করেন যে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি ভারতের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করে।অমিত শাহ তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বিপ্লবীদের গৌরবের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নতুন বছরে রাজ্যে উন্নয়ন, সুশাসন এবং সকলের কল্যাণের নতুন অধ্যায় শুরু হোক। একই সুর শোনা যায় বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীনের বক্তব্যেও। তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ নতুন আশা ও স্বপ্নের সূচনা করে এবং এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেয়, যেখানে উন্নয়ন ও সম্মানের সঙ্গে মানুষ বাঁচতে পারবে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বার্তায় বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার কথা জোর দিয়ে বলেন। তিনি সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলা সম্প্রীতি ও সংস্কৃতির কেন্দ্র। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার বহু সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু করেছে, যা মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সহায়তা করছে।একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বাংলার উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং ভোট প্রক্রিয়াতেও হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। তিনি মানুষের উদ্দেশে আবেদন জানান, এই পরিস্থিতির জবাব ভোটের মাধ্যমে দিতে। তিনি আরও বলেন, যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাদের জন্য তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও তা চালিয়ে যাবেন।শেষে তিনি শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে বলেন, হিংসা নয়, বরং ভালোবাসা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নতুন বাংলা গড়ে তুলতে হবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, যদি তাঁর নেতৃত্বে সরকার চান, তবে সব কেন্দ্রে তাঁর দলের প্রার্থীদের সমর্থন করতে হবে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
বিদেশ

৯/১১-এর পর সবচেয়ে বড় হামলার ছক? উত্তর ক্যারোলিনায় আইএসের পরিকল্পনা ফাঁস

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, ধৃত যুবক ক্রিস্টিয়ান স্টারডিভ্যান্টের সঙ্গে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের সরাসরি যোগাযোগ ছিল। বর্ষবরণের রাতে উত্তর ক্যারোলিনার একটি খাবারের দোকান এবং জনবহুল এলাকায় ছুরি নিয়ে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল সে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, পুলিশকর্মীদের উপরও হামলা চালানোর ছক ছিল অভিযুক্তের। এই গোটা ষড়যন্ত্রই ইসলামিক স্টেটের মদতে তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছে এফবিআই।শেষ মুহূর্তে এই ভয়ংকর নাশকতা বানচাল করে দেয় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এই ঘটনায় একটি বিবৃতি জারি করেছে তারা। এফবিআই প্রধান, ভারতীয় বংশোদ্ভূত কাশ প্যাটেল জানান, বর্ষবরণের রাতে একটি সম্ভাব্য জঙ্গি হামলা রোখা গিয়েছে এবং এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে ছিল ইসলামিক স্টেট।এফবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্রিস্টিয়ান নাবালক থাকাকালীন থেকেই সন্দেহের তালিকায় ছিল। সামাজিক মাধ্যমে একাধিকবার ইসলামিক স্টেটের প্রশংসা করতে দেখা গিয়েছিল তাকে। সেই সূত্রেই ইউরোপের একাধিক আইএস হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠে তার। তাদের প্ররোচনাতেই আমেরিকায় হামলার পরিকল্পনা করেছিল সে।তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তের বাড়ি থেকে একাধিক ধারাল অস্ত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করেছে তদন্তকারীরা। এছাড়াও পাওয়া গিয়েছে হাতে লেখা একটি নোট, যেখানে স্পষ্ট ভাবে লেখা ছিল, নতুন বছরে হামলা ২০২৬। এই তথ্য সামনে আসার পর আরও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।৯/১১-এর পর আমেরিকাকে ফের রক্তাক্ত করার ছক কষেছিল ইসলামিক স্টেট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই ভয়ংকর পরিকল্পনা ভেস্তে দেয় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ক্রিস্টিয়ান স্টারডিভ্যান্টকে এবং তদন্ত এখনও চলছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
কলকাতা

নতুন বছরে শীতের আমেজে ভিড়ে ঠাসা ইকোপার্ক থেকে চিড়িয়াখানা, কাশীপুর উদ্যানবাটী..কোথায় কত দর্শনার্থী?

ফি বছর বছরের শেষ সপ্তাহ থেকে নয়া বছর শুরুর সপ্তাহ পর্যন্ত কলকাতার রাস্তা-ঘাট, মেট্রোতে ভিড় লেগেই থাকে। এবারও তার ব্য়তিক্রম হয়নি। ২৫ ডিসেম্বর বড় দিনে ভিড়ের সূত্রপাত হয়। তারপর বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর, আর তার পরের দিন ১ জানুয়ারি নতুন বছরের শুরুর দিন। কলকাতার দর্শনীয় স্থানে পর্যটকেরা ভিড় করে থাকে। তবে ইকো পার্ক ও চিড়িয়াখানা সবাইকে এবার ভিড়ে টক্কর দিয়েছে। এবার অবশ্য কাশীপুর উদ্যানবাটি কিছুটা জায়গা করে নিয়েছে। প্রতিবছরই এই দিনগুলিতে আলিপুর চিড়িয়াখানায় ব্যাপক ভিড় হয়। হাটাচলাই সেখানে দায় হয়ে পড়ে। মানুষের তুলনায় যেন জায়গা কম পড়ে যায়। এবার নতুন বছরে খোলামেলা জায়গাকেই বেছে নিল আমজনতার বেশিরভাগ অংশ। মানুষ ভিড় জমাল ইকো পার্কে। পরিবার, বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে নতুন বছরে কলকাতার রাস্তায় বেরিয়ে পড়াই দস্তুর। এদিন ঠান্ডার আমেজই ছিল যথেষ্ট।ভিড়ের হিসেবে সকলকে টেক্কা দিয়েছে নিউ টাউনের ইকো-ট্যুরিজ়ম পার্ক। এই পার্কে ভিড় করেছেন ৯১ হাজার ৬৮৩ জন। অবশ্য তারপরেই আছে আলিপুর চিড়িয়াখানা। তবে বরাবর প্রথম স্থানে থাকে এই চিড়িয়াখানা। এবার সেখানে ভিড় জমিয়েছে ৮৫ হাজারের বেশি। দর্শনার্থীদের সংখ্যায় উত্তর কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটীও ইংরেজি নববর্ষে অন্য অনেক জায়গার থেকে এগিয়ে থেকেছে। কারণ কল্পতরু উৎসবকে কেন্দ্র করে এখানে মানুষ ভিড় করে থাকে। এবারও সেই আকর্ষণে ভিড় করেছেন ভক্ত ও দর্শনার্থীরা। ভিক্টোরিয়ায় বছরের প্রথম দিনে ৩৮ হাজারের বেশি পর্যটক হাজির হয়েছিলেন। সায়েন্সসিটিতে ছিলেন ৩০হাজারের কিছু বেশি দর্শনার্থী। কলকাতা জাদুঘরেও কয়েক হাজার মানুষ ভিড় করেছেন। তবে তা ১০হাজার অতিক্রম করতে পারেনি।

জানুয়ারি ০২, ২০২৫
কলকাতা

বর্ষশেষে কড়া নিরাপত্তা কলকাতা মেট্রোতে, নজরে পার্কস্ট্রিট, ময়দান ও এসপ্ল্যানেড

নীল লাইনের যাত্রীদের সুবিধার্থে নববর্ষের প্রাক্কালে রাতে ছয়টি অতিরিক্ত পরিষেবা চালাতে চলেছে মেট্রো রেল। যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মেট্রো রেলওয়ে নতুন বছরের প্রাক্কালে মঙ্গলবার এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান, রবীন্দ্র সদন, দমদম এবং দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনগুলিতে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চলেছে। এই স্টেশনগুলিতে ভিড়ের পূর্বাভাস, সমস্ত প্রবেশ এবং প্রস্থান গেটে সুপ্রশিক্ষিত RPF কর্মীদের মোতায়েন করা হবে। মেট্রো RPF প্রত্যাশিত বিশাল ভিড় পরিচালনার পাশাপাশি যাত্রীদের ঝামেলামুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য এই স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের ব্যবস্থা করবে।মহিলা ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে পর্যাপ্ত মহিলা RPF অফিসার এবং কর্মী মোতায়েন করা হবে। একজন সাব-ইন্সপেক্টর/অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টরের সমন্বয়ে একটি বিশেষ দল এবং দুজন মহিলা স্টাফ সহ চারজন স্টাফ পার্ক স্ট্রিটে উপস্থিত থাকবে। ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন বছরের শেষ দিনে এই দলটি যেকোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকবে। বাস্তব সময়ের পরিস্থিতি নিরীক্ষণ করার জন্য, উত্তর-দক্ষিণ মেট্রোর সেন্ট্রাল কন্ট্রোলে পর্যাপ্ত কর্মী নিয়োগ করা হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ব্যাপকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।ওই দিন পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশনে একজন অফিসার এবং চারজন কর্মচারীর সমন্বয়ে আরেকটি বিশেষ দল মোতায়েন করা হবে। যাত্রীদের সঠিক নির্দেশনা দেওয়ার জন্য পার্ক স্ট্রিট, ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত সংখ্যক RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এসব স্টেশনে নাশকতাবিরোধী চেকিংও করা হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৪
কলকাতা

'টাকা মিছিল'! বাঙালির ব্যবসা উদযাপন করতে নববর্ষে বাংলা পক্ষর অভিনব উদ্যোগ

পয়লা বৈশাখ বাঙালির হালখাতার দিন। হালখাতা কথাটির অর্থ জিজ্ঞ্যাসা করলে কতজন পারবে তা নিয়ে একসন্ধ্যা চায়ের পেয়ালাতে তুফান তোলা আলোচনা চলতেই পারে। আজকের ডিজিটাইজেসন যুগে কিউ আর এবং ইউপিআই এর দৌলতে ক্যাসলেস বাঙালীর হালখারাপ হতে বসা হালখাতা! তবুও পয়লা বৈশাখ বাঙালির আবেগের দিন। ব্যবসা উদযাপনের দিন। পয়লা বৈশাখ মানে শুধু গান-কবিতা না, পয়লা বৈশাখ মানে ব্যবসাও।বাঙালি তরুন প্রজন্মকে ব্যবসায় উদ্বুদ্ধ করতে, বাঙালি ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ করতে এক অভিনব ও বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল এর কথা আয়োজন করল বাংলা পক্ষ। এটি টাকা মিছিলর দ্বিতীয় বছর। রবিবার নববর্ষের প্রথম দিনের সন্ধ্যায় কলকাতার রাসবিহারী মোড় থেকে গড়িয়াহাট মোড় পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য টাকা মিছিল হয়।মিছিলে বাঙালি শিল্পপতিদের (যেমন আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, চন্দ্রশেখর ঘোষ, রাজেন মুখার্জী, মতিলাল শীল, আলামোহন দাস, মোস্তাক হোসেন প্রমুখ) বিশাল বিশাল কাট আউট নিয়ে মিছিলে হাঁটা হয়। বাংলা ও বাঙ্গালীর সংগঠন বাংলা পক্ষর তরফে জানানো হয়, শুধুমাত্র সিনেমা বা খেলার নায়ক-নায়িকাদের চিনলে হবে না, বাঙালি পুঁজিপতিদের চিনতে হবে। মিছিলে ছিল ঢাক, রণ পা ও নানা সুসজ্জিত ট্যাবলো।এই মিছিল থেকে বাংলা পক্ষ দাবী তোলে।রাজ্য সরকারি টেন্ডার বাঙালিদের দিতে হবে।খুচরো বাজার থেকে পাইকারি বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে৷সমস্ত শহরাঞ্চলের হকারি স্পট ভূমিপুত্রদের দিতে হবে।এই টাকা মিছিলর নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চ্যাটার্জী, মনন মন্ডল, এমডি সাহীন, সৌম্য ঘোড়াই ও জেলা সম্পাদকরা।

এপ্রিল ১৫, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

আতিউলের 'শ্যাডো' তে পুলিশ অফিসার সুমা

নতুন বছরটা অভিনেত্রী সুমা দের জন্য বেশ ভালো। ২০২২ এর শুরুতেই খোশমেজাজে রয়েছেন অভিনেত্রী। এই বছর কালার্স বাংলায় জয় জগন্নাথ ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি। এই ধারাবাহিকে তাঁর অভিনীত সান্তা চরিত্রটি দর্শকদের বেশ পছন্দ হয়েছে। তবে আপাতত ধারাবাহিকে তাঁর অভিনয় শেষ হয়েছে। জয় জগন্নাথ শেষ হলেও সিনেমার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন অভিনেত্রী। গত বছর মুক্তি পেয়েছিল সুমার অভিনীত ছবি যেটা ২৪ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায় এই ছবিটি দর্শকমহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছিল। এবার পরিচালক আতিউল ইসলামের পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি শ্যাডো তে অভিনয় করতে দেখা যাবে তাঁকে। কিশলয় এর সাফল্যের পর এটা আতিউলের নতুন ছবি। এই ছবিতে পুলিশ অফিসার দর্শনা সেনের চরিত্রে দর্শকরা তাঁকে দেখতে পাবেন। সুমা জানিয়েছেন আগামীতে আরও দুটো ছবি এবং একটি মেগার কাজ নিয়ে কথা চলছে। তবে সবকিছু ফাইনাল না হলে এখনই তিনি কিছু বলতে চান না। এর পাশাপাশি অজয়নগরে সুমার মঞ্জিনিসের আউটলেটেও সময় বের করে যেতে হচ্ছে তাঁকে। ফলে অভিনয় থেকে দোকান দুটো একসঙ্গে সামলাতে হলেও তিনি এই কাজটা উপভোগ করছেন বলে জানিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Celebrity 2022: তারকাদের বর্ষবিদায় কে কি জানালেন দেখে নেওয়া যাক

করোনার চোখরাঙানি। সঙ্গে চিন্তার কারণ ওমিক্রণ। তার মধ্যেও আমরা ২০২১ কে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর ২০২২ কে স্বাগত জানিয়েছি। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সেলিব্রিটি সকলেই বর্ষশেষের আনন্দে মেতে উঠে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে। কোন সেলিব্রিটি কেমনভাবে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছেন চলুন দেখে নেওয়া যাক। অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান তার শুয়ে থাকার একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন,হ্যাপি নিউ ইয়ার।ঋত্বিক রোশন লিখেছেন,২০২২ লেটস লিভ ইট ওয়েল। অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন জিম করার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন,ব্যাক টু বেসিকস।অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন ২০২২ এ তিনি একটি নতুন অধ্যায় শুরু করছেন। সঙ্গে একটি ছোট ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি।অভিনেত্রী জুহি চাওলা দোপাট্টা পরে একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, সবাইকে শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা। এই ছবির দোপাট্টার মতোই আপনার জীবন খুশির রঙে ভরে উঠুক। হ্যাশট্যাগে লেখেন #হ্যাপিনিউইয়ার।বলিউডের তারকাদের মতো টলিউডের তারকারাও নতুন বছরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। টলি অভিনেতা দেব সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন এই বছর ২৩ ডিসেম্বর নতুন ছবি প্রজাপতি নিয়ে সকলের কাছে আসবেন।অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী লেখেন ,সফল হোক সবার ২০২২। তিনি ২০২২ কে মাস্ক দিয়ে ঢেকে সকলকে সাবধানতা অবলম্বন করার বার্তা-ই দিতে চেয়েছেন।অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক নতুন বছরে সকলকে ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে বলেছেন। সকলের জন্য শান্তি ও আনন্দ কামনা করেছেন তিনি।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Laxmi Ratan Shukla : বছরের প্রথম দিনে পায়ড়া উড়িয়ে কি বার্তা দিতে চাইলেন প্রাক্তন মন্ত্রী

বঙ্গ ক্রিকেটে পায়রা ওড়ানোর নেশা প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পালের রয়েছে সেকথা সকলেরই জানা। কিন্তু বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক লক্ষ্মীরতন শুক্লাও যে পায়রাপ্রেমী, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। শিবশঙ্কর পালের মতো না হলেও কম নেই। নতুন বছরের শুরুতে একঝাঁক পায়রাকে রেখে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। আসলে পায়রা যে শান্তির প্রতীক।সময় পেলেই বাড়ির ছাদে পায়রা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন শিবশঙ্কর পাল। আগে খেলার সময় মাঠ থেকে বাড়ি ফিরেই পায়রাদের খাওয়ানো, আকাশে উড়িয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে থাকা, অন্য জগতে চলে যেতেন বঙ্গ ক্রিকেটের ম্যাকো। লক্ষ্মীরতন অবশ্য সেদিকে ঝোঁক ছিল না। নিজে না পুষলেও বাড়ির ছাদে পায়রাকে খেতে দেওয়া তাঁর অনেকদিনের অভ্যেস। নতুন বছরের প্রথম দিন সেই ছবিও ধরা পড়েছে। আর বাড়ির ছাদে পায়রাদের খেতে দেওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা।সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ্মীরতন শুক্লার এই পোস্ট করা ছবি রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। অসংখ্যা অনুরাগী যেমন লাইক করেছেন, অনেকেই আবার মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ আবার লক্ষ্মীরতনের এই পোস্ট করা ছবি শেয়ার করেছেন। লক্ষ্মীর পায়রার ছবি পোস্ট করার পেছনে অন্য কারণও আছে। পায়রা হল শান্তির প্রতীক। তাই এই ছবি পোস্টের মাধ্যমে নতুন বছরটা সকলকে সুখেশান্তিতে কাটানোর জন্য আর্জি জানিয়েছেন বাংলার এই প্রাক্তন অধিনায়ক।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

Weather: নতুন বছরে ফিরবে ঠান্ডা, স্থায়ীত্ব নিয়ে সংশয়ে আবহবিদরা

নতুন বছরে শীতকে স্বাগত জানাল শহরবাসী। এ বার ডিসেম্বরের প্রথম দিকের শীতল আমেজও উধাও ছিল। তাই জাঁকিয়ে শীত উপভোগের আশা সম্বল করে শনিবার নতুন বছরে পা দিয়েছে বাঙালি। তবে আবহাওয়া দপ্তরের আশ্বাস, আগামী সপ্তাহে জাঁকিয়ে পড়তে পারে শীত। কিন্তু সেই শীতের কাঁপুনি কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে রয়েছে ঘোর সংশয়। সত্যিই হাড়কাঁপানো শীতের দেখা মিলবে, না উত্তুরে বাতাসের সঙ্গে শুধুই লুকোচুরি খেলা চলতে থাকবে তা নিয়ে চর্চা চলছে।ঝঞ্ঝা কেটে যাওয়ায় উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে ফের উত্তুরে বাতাসকে বাহন করে শীত আসতে পারে বাংলায়। আগামী মঙ্গল এবং বুধবার নাগাদ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। কনকনে শীত পড়তে পারে জেলাগুলিতেও। কিন্তু এ শীত কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন আবহবিদদের একাংশ। কারণ, মঙ্গলবার নাগাদ আবার একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাশ্মীরে ঢুকতে পারে। তার জেরে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকেই উত্তর-পশ্চিম ভারতে বৃষ্টি এবং তুষারপাতের সম্ভাবনা আছে। তেমন হলে পূর্ব ভারতেও শীতের মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার, ইংরেজি বছরের শেষ দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার তা একটু কমে ১৫.২ ডিগ্রিতে নেমেছে। যদিও তা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। কলকাতার মতো জেলাগুলিতেও পারদ সে-ভাবে নামেনি। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল (১৪.৬ ডিগ্রি) বা পানাগড়েও (১৪ ডিগ্রি) কাঁপন ধরানো ঠান্ডা মেলেনি। হাড় কাঁপানো শীতের জন্য বিখ্যাত পুরুলিয়া, বীরভূমের শ্রীনিকেতনেও শুক্রবার রাতের তাপমাত্রা ওই জায়গাগুলির নিরিখে কিছুটা বেশি রয়েছে। তুলনায় মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে (১১ ডিগ্রি) শীত খানিকটা হলেও বেশি ছিল। তবে দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে তরাই-ডুয়ার্সে স্বাভাবিক ভাবেই শীতের দাপট বেশি। শুক্রবার জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি এবং কোচবিহারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৯.২, ৮.৬ এবং ৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

Weather: নতুন বছরের শুরুতে নয়া ইনিংস খেলবে শীত, কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা

পৌষের শুরুতে জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও, এই মাসের বাকি অর্ধেক সময়ে শীত হতাশ করবে না বলে আশ্বাস দিল হাওয়া অফিস। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বাংলা থেকে বিদায় নিতেই ঠান্ডার দাপট ফেরার আভাস মিলেছে। স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকলেও বৃহস্পতিবারের তুলনায় শুক্রবার পারদ কিছুটা নেমেছে। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে তা আরও নামতে শুরু করবে বলে পূর্বাভাস আবহবিদদের। ধাপে ধাপে পারদ পতনের জেরে আগামী সপ্তাহেই জাঁকিয়ে বসবে শীত।দিল্লির মৌসম ভবনের খবর, শুক্রবার থেকেই পঞ্জাব, রাজস্থান, হরিয়ানায় ফের শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়ে যাবে। কনকনে ঠান্ডা নিয়ে হাজির হতে পারে উত্তুরে বাতাস। তার ফলে আগামী সপ্তাহেই পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জায়গায় রাতের তাপমাত্রা ৩-৫ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। শুক্রবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা কুয়াশা লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি নেমে হয়েছে ২২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।ঠান্ডার ফিরে আসা নিয়ে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা বলেছেন, নতুন বছরের প্রথম দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। পরের সপ্তাহের শুরুতে কলকাতার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির কাছাকাছিও নেমে যেতে পারে। আগামী সপ্তাহ মরশুমের শীতলতম সপ্তাহ হবে কি না, তা অবশ্য নিশ্চিত করে বলেনি হাওয়া অফিস। তবে ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে মারাত্মক শীত পেয়েছিল কলকাতা। ৯ জানুয়ারি কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (৯ ডিগ্রি) ছুঁয়ে ফেলেছিল লন্ডনকে। সে-বারেও আচমকা ঢুকে পড়া উত্তুরে হাওয়ার দাপটেই হুড়মুড়িয়ে নেমেছিল পারদ। আবহবিদদের মতে, খাস কলকাতার তাপমাত্রা যদি ১১-১২ ডিগ্রিতে নামে, তা হলে জেলাগুলিতে তাপমাত্রা আরও কম থাকবে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
দেশ

Omicron: ওমিক্রন আতঙ্কে বড়দিন পালনে কড়া বিধিনিষেধ, আজ পর্যালোচনা বৈঠকে মোদি

দেশে উদ্বেগ বাড়িয়ে ঊর্দ্ধমুখী করোনা ভাইরাসের নয়া প্রজাতি ওমিক্রন সংক্রমণ। বুধবারও শহরে নতুন দুই ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। ২২ ডিসেম্বর সকালে ভারতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ২১৩। রাজ্যেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্য়া। করোনার ডেল্টা প্রজাতির তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি সংক্রামক ওমিক্রন। ফলে কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তেলঙ্গানায় বুধবার ওমিক্রনের ১৪ টি নতুন কেস রিপোর্ট হয়েছে। এরপরেই কেরল এবং গুজরাতে নয়টি, রাজস্থান চারটি, ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রতিটিতে দুটি এবং অন্ধ্রপ্রদেশে ওমিক্রনের একটি নতুন কেস সামনে এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যারিয়েন্ট অফ কনর্সান আখ্যা দেওয়া এই প্রজাতি ১৫ টিরও বেশি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মাথা চাড়া দিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী ওমিক্রন সংক্রামিত প্রায় ৯০ জন হয় সেরে উঠেছে বা স্থানান্তরিত হয়েছে।মঙ্গলবার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে কেন্দ্র বলেছিল যে ওমিক্রন প্রজাতি ডেল্টার থেকেও কমপক্ষে তিনগুণ সংক্রমণযোগ্য। এদিকে আজই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের কোভিড -১৯ পরিস্থিতি নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করবেন।দেশে বড়দিনের উৎসবের মরশুম। সে কারণেই দিল্লির ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি ওমিক্রনের আরও বিস্তার রোধ করার জন্য বড়দিন এবং নববর্ষ উদযাপনের সময় গণসমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। বুধবার সংস্থার জারি করে বলেছে, সকল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাদের এক্তিয়ারের মধ্যে যে সমস্ত এলাকা রয়েছে সেখানে পর্যবেক্ষণ চালাবে এবং যেখানে করোনাভাইরাস এবং ওমিক্রনের সুপারস্প্রেডার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই সব সংক্রমণযোগ্য পকেট, বাজার এবং জনসংকীর্ণ অঞ্চলগুলি চিহ্নিত করবেন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Covid Protocal: বড়দিন ও নববর্ষে নৈশবিধিতে ছাড় দিল নবান্ন

দুর্গাপুজো- দীপাবলির মত রাতের কড়াকড়িতে ছাড় মিলবে বড়দিন ও ইংরেজি বর্ষবরণ উৎসবেও। এই উপলক্ষে এক সপ্তাহ নৈশ বিধিনিষেধ শিথিল করার কথা ঘোষণা করেছে নবান্ন । শুধু তাই নয়, বড়দিন থেকে নতুন বছর পর্যন্ত হোটেল-রেস্তোরাঁ, পানশালা বাড়তি সময় খোলা রাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।ওমিক্রন নিয়ে আতঙ্কের আবহে রাজ্যে চলতি কোভিড বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও একমাস বাড়িয়েছে নবান্ন।বুধবার পর্যন্ত বিধিনিষেধের মেয়াদ ছিল।রাজ্যের বিপর্যয় ব্যবস্থাপন কর্তৃপক্ষের সুপারিশ ক্রমে তা ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানোর কথা এদিন নবান্নের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে।এই পর্বেও রাত এগারোটা থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত যানবাহন ও লোক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকছে।যদিও বড়দিন ও ইংরেজি বর্ষবরণ উপলক্ষে ২৪ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ওই বিধিনিষেধে ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। মাস্ক পড়াষ স্যানিটাইজার ব্যবহার করা-সহ যাবতীয় কোভিডবিধি পালন করার ওপরেও জোর দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
কলকাতা

পয়লা বৈশাখে উত্তর কলকাতায় রোড শো মমতার, সঙ্গ দিলেন জয়া

কথা ছিল, বৈশাখের প্রথম দিনে দক্ষিণ কলকাতা জুড়ে রোড শো করবেন। দক্ষিণ কলকাতার সব প্রার্থীদের হয়ে এদিনই ভোট প্রচার সেরে ফেলতেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ভবানীপুর, অর্থাৎ নিজের এতদিনের লড়াইয়ের জায়গা ছেড়ে এবার এগিয়ে দিয়েছেন দলের নির্ভরযোগ্য নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মূলত তাঁরই হয়ে প্রচারের কথা ছিল মমতার। তবে কোভিডের বাড়বাড়ন্তে সেই মিছিল বাতিল হয়েছে। তবে পয়লা বৈশাখের মতো উৎসবের দিন মোটেই ঘরে বসে কাটাননি নেত্রী। শুধু দক্ষিণ থেকে রোড শোর স্থান বদলে গেল উত্তর কলকাতায়। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে বেলেঘাটা থেকে বউবাজার পর্যন্ত রোড শো করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গী দলের তারকা প্রচারক জয়া বচ্চন, উত্তর কলকাতার তৃণমূল প্রার্থীরা।বেলেঘাটা থেকে বউবাজার এই অঞ্চলের মধ্যে মূলত চার বিধানসভা কেন্দ্র। বেলেঘাটা, চৌরঙ্গি এবং মানিকতলা। এই চার কেন্দ্রের প্রার্থীদের হয়ে দীর্ঘ পথে রোড শোর মধ্যে দিয়েই প্রচার সারলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, সাধন পাণ্ডে, পরেশ পাল, বিবেক গুপ্তা। হুইল চেয়ারে বসেই লম্বা রাস্তা পাড়ি দিলেন নেত্রী। সঙ্গে হলুদ শাড়ি, দলের ঐতিহ্যবাহী লাল টুপিতে পাশেই সমাজবাদী পার্টি নেত্রী তথা তারকা প্রচারক জয়া বচ্চন। কিছুক্ষণ হাঁটার পর অবশ্য তিনি উঠে যান জিপে। অবশ্য মিছিলের মধ্যমনি তখন একজনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তার দুধারে সমবেত জনতার উদ্দেশে কখনও তিনি হাত নাড়ছেন, কখনও হাত জোড় করে নমস্কার করছেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর রোড শো পৌঁছয় বউবাজার মোড়ে।এদিন মমতার পর রাস্তা থেকে মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে জয়া বচ্চন বিজেপিকে বিঁধে বলেন, বাংলায় পরিবর্তন দরকার নেই। অনেক কাজ হয়েছে। মমতা থাকলে আরও কাজ হবে। পরিবর্তনের স্লোগান যাঁরা তুলছেন, তাঁদের কথায় কান দেবেন না। কোনও দরকার নেই পরিবর্তনের।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
রাজ্য

নববর্ষে বাংলায় পরিবর্তনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর

পয়লা বৈশাখের সকালে বাংলায় টুইট করে রাজ্য তথা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বাঙালিদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একটি টুইটে তিনি প্রোটোকল মেনে সকলের সুখ এবং সমৃদ্ধি কামনা করলেন। আবার আরেকটি টুইটে উঠে এল রাজনীতির কথা। একটি ভিডিও পোস্ট করে নতুন বাংলা গড়ার বার্তা দিলেন। দিলেন পরিবর্তনের ডাক। সাতসকালে ফেসবুকে রাজ্যবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।পয়লা বৈশাখে সাতসকালে বাংলায় করা এক টুইটে প্রধানমন্ত্রী বলেন,বাংলার মানুষের ভালবাসা আর প্রাণস্পন্দন প্রকৃত অর্থেই মন ছুঁয়ে যায়। নতুন বছর সকলের জীবনে সুখ সমৃদ্ধি নিয়ে আসুক, সকালে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হোন। পয়লা বৈশাখে ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাঙালিদের আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা। প্রধানমন্ত্রী মোদির মতো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহও নববর্ষের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর টুইট,মঙ্গলময় উৎসব পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে আমার সকল বাঙালি বন্ধুদের জানাই অগ্রিম আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা। ঈশ্বরের কাছে কামনা করি এই নতুন বছর প্রত্যেকের জীবনে বয়ে আনুক আনন্দ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি।শুভ নববর্ষ! টুইটে রাজ্যবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও।অরাজনৈতিক পোস্টে শুধু নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তা দেওয়ার পর পয়লা বৈশাখের সকালে রাজনৈতিক পোস্টও করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলায় এবং ইংরেজিতে করা দুটি টুইটে তিনি লিখেছেন,পুণ্যভূমি পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষে নতুনের সূচনা হোক, রাজ্য প্রগতির পথে এগিয়ে যাক!

এপ্রিল ১৫, ২০২১
বিবিধ

আজ শেষের দিনে

আজ শেষের দিনে ---- দেবনন্দন ব্যানার্জী সময় খসছে একটু-একটু করে ঝরা পাতার মতো, আমিও ফুরচ্ছি ধীরে-ধীরে! অঙ্গীকার আর শপথগুলো সারি-সারি দাঁড়িয়ে--- স্তব্ধ নিষ্পলক অভিমানে। একটা গোটা নিরবিচ্ছিন্ন আমি, আলো থেকে বিছিন্ন হওয়ার প্রহর গুনছি! প্রত্যয় ডুকরে উঠছে, নিরাশার দু-ফোঁটা চোখের জলে। লড়াইটা এবার, শেষ হয়ে যাওয়ার পথে ---- -----------------------

ডিসেম্বর ৩১, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

নিজের লোকসভা কেন্দ্রেই যেতে পারতেন না রচনা! ইন্দ্রনীলকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সাংসদের

নিজের লোকসভা কেন্দ্রের একটি বিধানসভা এলাকায় যেতে হলেও অনুমতি নিতে হত তাঁকে। এমনই দাবি করলেন হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন গ্রেফতার হওয়ার পর চন্দননগরে নিজের অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন তিনি। রচনার দাবি, তৃণমূলে থাকার সময় চন্দননগরে কোনও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গেলে ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত। এমনকি তাঁকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগেও অনুমতি নেওয়ার কথা বলা হত বলে জানিয়েছেন সাংসদ। তবে গায়ক হিসেবে ইন্দ্রনীলের প্রশংসাও করেছেন তিনি।চন্দননগর পুলিশের বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রচনা। সেখানে তিনি জানান, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর এই প্রথম এমন অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন। ২০২৪ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পরেও কেন তাঁকে চন্দননগরের অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি, সেই প্রশ্নেরও জবাব দেন তিনি।রচনার দাবি, তৃণমূলে থাকার সময় চন্দননগরের তৎকালীন বিধায়ক তথা মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের অনুমতি ছাড়া ওই এলাকায় কোনও অনুষ্ঠানে যেতে পারতেন না তিনি। শুধু তাই নয়, তাঁকে কোনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগেও ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত বলে দাবি করেছেন রচনা।তাঁর কথায়, একই দলের সাংসদ থাকলেও ইন্দ্রনীলের সঙ্গে সেই ভাবে কাজ করা হয়নি। ওঁর বিধানসভা এলাকায় কোনও অনুষ্ঠানে যেতে হলে অনুমতি নিয়েই যেতে হত। এমনকি কোনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর আগে ইন্দ্রনীলের অনুমতি নিতে হত। দলের কর্মীরাই এ বিষয়টি আমাকে জানিয়েছিলেন।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে অবশ্য বেশি কিছু বলতে চাননি রচনা। তিনি জানিয়েছেন, এখন তিনি অন্য দলের সাংসদ। তাই আগের দলের কোনও নেতাকে নিয়ে মন্তব্য করতে চান না। একই সঙ্গে আইনি বিষয়টি আদালতেই মীমাংসা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।ইন্দ্রনীল সেনের রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে মন্তব্য না করলেও গায়ক হিসেবে তাঁর প্রশংসা করেছেন রচনা। তাঁর কথায়, ইন্দ্রনীল সেন যখন গায়ক ছিলেন, তাঁর অনেক ক্যাসেট বিক্রি হয়েছে। শিল্পী ইন্দ্রনীল গায়ক হিসেবে ভালো ছিলেন।উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর দুর্গাপুজোর ই-পাস সংক্রান্ত মামলায় ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করা হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বউবাজার থানায় মাস আর্ট নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো এবং বিশেষ প্রবেশপত্র বিক্রির ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠেছে প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। জয়দীপ মুখোপাধ্যায় নামে এক ভ্রমণ সংস্থার এজেন্ট এই অভিযোগ দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত করছে লালবাজারের গোয়েন্দা শাখা।ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আদালত।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ফের মা উড়ালপুলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! ডিভাইডার টপকে উল্টো লেনে গাড়ি, আহত অন্তত ৪

ফের দুর্ঘটনা মা উড়ালপুলে। শনিবার সকালে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত চার জন। দুর্ঘটনার জেরে বেশ কিছুক্ষণ ব্যাহত হয় যান চলাচল। মা উড়ালপুলে যানজট তৈরি হয়। পরে পুলিশ দুর্ঘটনাগ্রস্ত দুটি গাড়ি সরিয়ে থানায় নিয়ে যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর ফের যান চলাচল শুরু হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে পার্ক সার্কাসের দিক থেকে আসছিল একটি গাড়ি। সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডার টপকে উল্টো দিকের লেনে চলে যায়। সেই সময় উল্টো দিক থেকে আসছিল একটি ব্যক্তিগত গাড়ি। দুটি গাড়ির মধ্যে সজোরে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের অভিঘাতে দুটি গাড়িই দুমড়েমুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় দুটি গাড়িরই এয়ারব্যাগ খুলে যায়।দুর্ঘটনায় দুটি গাড়িতে থাকা অন্তত চার জন যাত্রী আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আহতদের মধ্যে এক জনকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বাকিদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পার্ক সার্কাসের দিক থেকে আসা গাড়িটি দ্রুত গতিতে যাচ্ছিল। সেই সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এর পর গাড়িটি ডিভাইডার টপকে উল্টো দিকের লেনে ঢুকে পড়ে। তখনই উল্টো দিক থেকে আসা অন্য গাড়িটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।দুর্ঘটনার পর দুটি গাড়িই আটক করেছে পুলিশ। কী ভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার জেরে কিছুক্ষণের জন্য মা উড়ালপুলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। গাড়ি দুটি সরিয়ে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
দেশ

বিদেশে পড়াশোনার কথা জানতেন মা-বাবা, পুনের ফ্ল্য়াটের খাটের তলা থেকে মিলল মেয়ের দেহ

এমবিএ পড়তে লন্ডনে গিয়েছিলেন মেয়ে। অন্তত তেমনটাই জানতেন তাঁর মা-বাবা। কিন্তু তাঁদের অজান্তেই গত অগস্টে দেশে ফিরে এসেছিলেন তিনি। পুণের একটি ফ্ল্যাটে একাই থাকছিলেন বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে। কয়েক দিন ধরে মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন মা-বাবা। শেষ পর্যন্ত বন্ধ ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে উদ্ধার হল ওই যুবতীর দেহ। খাটের তলায় পড়েছিল তাঁর নিথর শরীর। এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।মৃত যুবতীর নাম মুগ্ধা অবিনাশ দেশমুখ। গত বছরের জুলাই মাসে এমবিএ পড়তে ব্রিটেনে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু চলতি বছরের অগস্টে কাউকে কিছু না জানিয়ে ভারতে ফিরে আসেন। এর পর পুণের একটি ফ্ল্যাটে থাকতে শুরু করেন। তবে মেয়ের সঙ্গে ফোনে নিয়মিত কথা হত বলেই দাবি তাঁর মা-বাবার। তাই তিনি যে দেশে ফিরে এসেছেন, সে কথা তাঁরা বুঝতে পারেননি।গত ২৪ অক্টোবরের পর থেকে মুগ্ধার সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেননি তাঁর পরিবারের সদস্যেরা। ফোনও বন্ধ ছিল। মেয়ের কোনও খোঁজ না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁরা। এর পর মুগ্ধার এক বান্ধবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই বান্ধবী লন্ডন পুলিশের কাছে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানাতে গেলে জানতে পারেন, মুগ্ধা ব্রিটেন থেকে ভারতে ফিরে এসেছেন।এর পর লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পাশাপাশি মুগ্ধার অনলাইনে কেনাকাটা ও বিক্রির তথ্য খতিয়ে দেখা হয়। সেই সূত্র ধরেই শম্ভাজিনগরের একটি ঠিকানা জানতে পারে পুলিশ। সেখানে পৌঁছে বন্ধ অ্যাপার্টমেন্টের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন তদন্তকারীরা। ঘরের ভিতরে খাটের তলায় মুগ্ধার দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুগ্ধার শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তেও মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। আরও পরীক্ষার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা তদন্তকারীদের।কেন মুগ্ধা লন্ডন থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে ভারতে ফিরে এসেছিলেন, পুণের ফ্ল্যাটে তিনি একাই থাকতেন কি না, তাঁর মৃত্যুর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। গোটা ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর উদ্যোগ কংগ্রেসের, তার আগেই বিরোধীদের কী চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অমিত শাহ?

বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পাবলিক ইমপিচমেন্ট কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে কংগ্রেস। শনিবার এই কর্মসূচি হওয়ার কথা। তার আগেই কংগ্রেসকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর দাবি, এসআইআর নিয়ে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডেকে আলোচনা করতে প্রস্তুত বিজেপি।উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে বিজেপির একটি বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, আপনাদের দুজনকে এখানেই চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি, বিজেপি এই বিষয়ে আলোচনা করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের লুকানোর কিছু নেই। আসুন, সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকা হোক। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীদের হট্টগোলের কারণে সংসদের কাজ বার বার ব্যাহত হয়। বিরোধীরা সংসদে আলোচনা করতে চায় না বলেও দাবি করেন তিনি।বাংলার নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদের আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচনে জেতার সম্ভাবনা কম বুঝেই বিরোধীরা ভোট চুরির অভিযোগ তুলছে। এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগের জবাব দিতে বিজেপি প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।উত্তরপ্রদেশের বিধান পরিষদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরের দিনই এই মন্তব্য করেন অমিত শাহ। ওই নির্বাচনে বিজেপি ছটি এবং সমাজবাদী পার্টি পাঁচটি আসনে জয়ী হয়েছে। বিজেপি তাদের আগের আসনগুলি ধরে রেখেছে। অন্য দিকে, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এই ফলকে বিজেপির পরাজয় বলে ব্যাখ্যা করেছেন।এদিকে, রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের বৃহত্তর সমাবেশ হওয়ার কথা। তার আগে শনিবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাড়িতে পাবলিক ইমপিচমেন্ট কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই কর্মসূচিতে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে কোন কোন বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হবে, তা নিয়ে আলোচনা করতে পারেন বিরোধী নেতারা।এই কর্মসূচিতে প্রাক্তন লোকসভা স্পিকার মীরা কুমারের উপস্থিত থাকার কথা। সাধারণ মানুষেরও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের সময় যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে বলে অভিযোগ, এমন দুজন ভোটারও সেখানে বক্তব্য রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও বিরোধীদের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত ক্রমেই বাড়ছে। এক দিকে কংগ্রেসের প্রতিবাদ কর্মসূচি, অন্য দিকে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকার চ্যালেঞ্জএই দুইয়ের মধ্যে বিতর্ক কোন দিকে এগোয়, এখন সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কলকাতা

পরোটা বিক্রি করতে লাইসেন্স আছে? রাজুদার দোকানে হানা দিয়ে কী জানতে চাইলেন আধিকারিকেরা?

শিয়ালদহের এনআরএস হাসপাতালের সামনে ফুটপাতে পরোটা বিক্রি করে সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন রাজুদা। শনিবার সকালে তাঁর দোকানে আচমকা হানা দিলেন খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা। পরোটা বিক্রির প্রয়োজনীয় লাইসেন্স রয়েছে কি না, তা জানতে চান তাঁরা। রাজুদা লাইসেন্স দেখাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। তাঁর দোকান থেকে খাবারের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক পরীক্ষায় তাঁর তৈরি তরকারি উত্তীর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাজুদা। নমুনাগুলি পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। সাত দিন পর সেই রিপোর্ট আসার কথা।শুধু রাজুদার দোকানেই নয়, শনিবার সকালে শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের একাধিক খাবারের দোকানেও অভিযান চালান খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকেরা। বিভিন্ন দোকান থেকে সিঙারা, কচুরি, তরকারি, মাছ, মাংস-সহ নানা খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। খাবারের গুণগত মান যাচাই করতে রাসায়নিক ব্যবহার করে প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়।আধিকারিকদের দাবি, পরীক্ষায় কয়েকটি খাবারের মান সন্তোষজনক পাওয়া যায়নি। এর পর প্রায় ১০০টি সিঙারা, কচুরির ডাল, তরকারি, পচা মুরগির মাংস এবং মাছের ডিম ফেলে দেওয়া হয়। দোকানদারদের খাবারের মান বজায় রাখার বিষয়ে সতর্কও করা হয়েছে।এর পর আধিকারিকেরা যান রাজুদার দোকানে। সেখানে তাঁর কাছে পরোটা বিক্রির লাইসেন্স দেখতে চান তাঁরা। কিন্তু রাজুদা কোনও লাইসেন্স দেখাতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। তাঁর দোকান থেকে তরকারির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক পরীক্ষায় সেই তরকারি উত্তীর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজুদা। তবে খাবারের চূড়ান্ত মান সম্পর্কে জানতে পরীক্ষাগারের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।এই বিষয়ে রাজুদা বলেন, লাইসেন্স সম্পর্কে কোনও অভিজ্ঞতা ছিল না। বাড়িতে ১০-১২ কেজি ময়দার পরোটা বানাই। ৩টে ৪৫-এর ট্রেন ধরে কলকাতায় এসে বিক্রি করি। সকাল ১১টায় আবার ফিরে যাই। স্যরেরা লাইসেন্সের কথা বললেন। এ বার লাইসেন্স নেওয়ার চেষ্টা করব। কিন্তু খাবার নিয়ে কেউ কোনও আপত্তি জানাতে পারবেন না।আধিকারিকেরা তাঁকে সার্জিক্যাল টুপি পরার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন রাজুদা। এর পর থেকে টুপি ও দস্তানা পরে খাবার বিক্রি করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের খাবারের দোকানগুলিতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাজুদার দোকানের খাবারের চূড়ান্ত পরীক্ষার রিপোর্ট এখনও আসেনি। তাই তাঁর তৈরি খাবারের মান সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তের জন্য পরীক্ষাগারের রিপোর্টের অপেক্ষা করতে হবে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
রাজ্য

বছরখানেক আগে গুলিবিদ্ধ, এ বার রেললাইনের ধারে পুলিশ আধিকারিকের দেহ! রহস্য ঘনাল বাঁকুড়ায়

বছরখানেক আগে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি। সেই ঘটনা ঘিরে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য। এ বার সেই পুলিশ আধিকারিক জয়ন্ত পালের মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়া শহরের কেঠারডাঙা রেলগেটের কাছে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। আরণ্যক এক্সপ্রেসের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এটি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।জয়ন্ত পাল বাঁকুড়া পুলিশ লাইনে ইনস্পেক্টর পদে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর দেহ উদ্ধারের পর পুলিশ সেটি বাঁকুড়ার সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। রেললাইন পারাপারের সময় দুর্ঘটনা ঘটেছিল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মৃত্যুর কারণ জানতে জয়ন্তের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা।এর আগে ২০২৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি হাওড়ার ঘোষপাড়ার একটি পেট্রল পাম্পে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন জয়ন্ত। তাঁর বাঁ হাতে গুলি লাগে। সেই সময় তিনি হুগলির চণ্ডীতলা থানার আইসি পদে কর্মরত ছিলেন। ওই গুলিকাণ্ডের পর এক তরুণীকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। জানা গিয়েছিল, ওই তরুণী হাওড়ার সাঁকরাইলের বাসিন্দা। সামাজিক মাধ্যমে জয়ন্তের সঙ্গে তাঁর আলাপ ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। জয়ন্ত এবং ওই তরুণীকে এলাকার একটি বহুতলেও একাধিক বার দেখা গিয়েছিল বলে জানা যায়। যদিও গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার পর তরুণীর মা দাবি করেছিলেন, তিনি জয়ন্তকে চিনতেন না। এই ঘটনাকে ঘিরে তখন নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে জয়ন্তকে সাসপেন্ড করে রাজ্য পুলিশ। সেই সময় রাজ্য পুলিশের এডিজি পদে থাকা জাভেদ শামিম জানিয়েছিলেন, কাউকে কিছু না জানিয়ে থানা থেকে বেরিয়ে অন্য জেলায় চলে গিয়েছিলেন জয়ন্ত। কর্তব্যরত অবস্থায় নিয়মভঙ্গের অভিযোগেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল বলে জানানো হয়।সাসপেনশন ওঠার পর জয়ন্ত একে একে খানাকুল, চণ্ডীতলা এবং সিঙ্গুর থানায় দায়িত্ব সামলান। পরে তিনি বাঁকুড়া পুলিশ লাইনে ইনস্পেক্টর পদে যোগ দেন। সেই জয়ন্তেরই এ বার মৃত্যু হল বাঁকুড়ার রেলগেটের কাছে। তাঁর মৃত্যুর পিছনে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের পরেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
রাজ্য

হাসিমারা থেকে সেনা জওয়ান গ্রেফতার, আইএসআইকে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ! কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে এসে ধৃত চিনা নাগরিকও

পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের কাছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে হাসিমারা থেকে এক সেনা জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম জবীর সিং। তিনি পাঞ্জাবের বাসিন্দা। পাঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযান শাখা তাঁকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার তাঁকে শিলিগুড়ি আদালতে পেশ করা হলে দুদিনের ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। এর পর তাঁকে পাঞ্জাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জবীরের বিরুদ্ধে অন্যদের সঙ্গে মিলে সেনা ছাউনির গোপন তথ্য পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনায় গত ৮ অক্টোবর ফাজিলকার রাজ্য বিশেষ অভিযান শাখায় সরকারি গোপনীয়তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলার তদন্তের সূত্রেই জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ধৃত জওয়ান ঠিক কী ধরনের তথ্য পাচার করেছেন, তাঁর কাছ থেকে কোন কোন গোপন তথ্য পাওয়া গিয়েছে এবং এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। কেন তিনি এই কাজ করেছেন, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে পুলিশ। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনও তদন্তাধীন।অন্য দিকে, কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার নাম করে ভারতে ঢোকার অভিযোগে এক চিনা নাগরিককে আটক করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। তাঁর নাম ইউহাস লিউ। তিনি চলতি মাসে চিন থেকে নেপালে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। নেপালে তাঁর পরিচয় হয় দীনেশ পুরি নামে এক নেপালি গাইডের সঙ্গে।শুক্রবার ভোররাতে নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে দুজনকে ভারতের দিকে আসতে দেখেন টহলরত সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ান ও আধিকারিকেরা। তাঁদের চলাফেরা দেখে সন্দেহ হয় নিরাপত্তারক্ষীদের। এর পর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে যৌথ ভাবে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় দীনেশ নিজেকে নেপালের বাসিন্দা বলে পরিচয় দেন। লিউ-ও নিজেকে নেপালি বলে দাবি করেন। কিন্তু গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়, কারণ লিউ ভাঙা ইংরেজি ছাড়া নেপালি বা হিন্দিতে কথা বলতে পারছিলেন না। এর পর দোভাষীর সাহায্যে তাঁকে জেরা করা হয়। তখনই তাঁর পরিচয় নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়ে এবং তিনি চিনের নাগরিক বলে জানা যায়। এর পর দুজনকে আটক করেন গোয়েন্দারা।সেনা জওয়ানের বিরুদ্ধে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ এবং সীমান্তে চিনা নাগরিক আটকের ঘটনায় উত্তরবঙ্গের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনও তথ্য এখনও সামনে আসেনি। দুই ক্ষেত্রেই তদন্তকারীরা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য খতিয়ে দেখছেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘আমার খুব আনন্দ হচ্ছে’, ইন্দ্রনীল সেন জেলে যেতেই বিস্ফোরক বুদ্ধদেব-পুত্র সুচেতন!

পুজোর পাস নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তাঁকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এ বার মুখ খুললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। ইন্দ্রনীলের সঙ্গীত সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর কী কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তা সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছেন সুচেতন। তাঁর অভিযোগ, ইন্দ্রনীলের আচরণ ছিল অত্যন্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ। প্রাক্তন মন্ত্রীর জেলবন্দি হওয়ার খবর তাঁকে খুশি করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কলেজ পাশ করার পর ২০০৫ সালে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গীত সংস্থায় চাকরি শুরু করেন সুচেতন। ২০১৩ সাল পর্যন্ত সেখানে কাজ করেছিলেন তিনি। সেই সময় রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এর পর ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে বলে দাবি সুচেতনের। সেই পরিস্থিতিতে সংস্থার চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।সুচেতনের অভিযোগ, ২০১৩ সালে তিনি ইস্তফাপত্র পাঠালেও ইন্দ্রনীল তা গ্রহণ করেননি। ইস্তফাপত্রের কপি দেওয়ার কথা বলে তাঁকে অফিসে ডেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি। সুচেতনের কথায়, তাঁর ঔদ্ধত্য এতটাই ছিল যে আমার ইস্তফাপত্র গ্রহণ পর্যন্ত করেননি। সেটা রিসিভ করে আমাকে কপি দেবেন বলে ডেকে পাঠিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসে অপেক্ষা করিয়েছেন। নিজে কথা বলেননি, বাকি কর্মীদের দিয়ে বলে পাঠাচ্ছিলেন, অপেক্ষা করতে হবে। ভাবুন কী অপমানজনক! একটা ইস্তফাপত্র সই করতে এতখানি ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন।ইন্দ্রনীলের সংস্থায় কাজ করা রেকর্ডিস্ট এবং অন্য সঙ্গীতশিল্পীদের পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন সুচেতন। তাঁর দাবি, অনেক সময় কাজ করানোর পরেও শিল্পীদের ঠিকমতো টাকা দেওয়া হত না। এক সময়ে নিজের টাকা থেকে কয়েক জন শিল্পীর পারিশ্রমিক মিটিয়ে দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সুচেতনের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এতটাই খারাপ হয়েছিল যে বাবার অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে যেন তিনি তাঁদের বাড়ির আশপাশে না আসেন, সে কথা দলকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণের সময়েও তৎকালীন মন্ত্রীকে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে ঢুকতে দিতে চাননি বলে জানিয়েছেন সুচেতন।ইন্দ্রনীল সেনের জেলবন্দি হওয়ার প্রসঙ্গে সুচেতন বলেন, পাপ ও কৃতকর্মের ফল ভোগ করছেন। আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। তাঁর আরও বক্তব্য, আমার মনে হয়, শুধু আমি নই, যাঁরা ওঁর দুর্নীতির পরিচয় পেয়েছেন, তাঁরা সকলে আজ খুশি।ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে আর্থিক দুর্নীতি ও অন্যান্য অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তবে সুচেতনের বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অভিযোগের ভিত্তিতে করা। অভিযোগগুলির সত্যতা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal